পাশের ঘড়ে কাকিমা
**পাশের ঘরে কাকিমা**
প্রথম পর্ব
চট্টগ্রামের পাহাড়তলির সেই পুরনো দুইতলা বাড়ির নিচের তলায় থাকে সায়মন। বয়স তেইশ। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স পড়ে আর পাশের সফটওয়্যার ফার্মে ইন্টার্নশিপ করে। উপরের তলায় থাকে তার কাকিমা—নূপুর। বয়স ঊনচল্লিশ। কাকা পাঁচ বছর আগে বিদেশে গিয়ে আর ফেরেনি। নূপুর একাই থাকেন। দিনে স্কুলে শিক্ষকতা করেন, রাতে বাড়িতে ফিরে একা একা সময় কাটান।
সায়মন আর নূপুরের ঘরের দেয়াল একটাই। রাতের বেলা দেয়ালের ওপার থেকে সব শব্দ ভেসে আসে। গত তিন মাস ধরে সায়মন রাত জেগে শোনে। নূপুরের চাপা গোঙানি, বিছানার ক্রিক শব্দ, আর মাঝে মাঝে তার নিজের নাম—
“সায়মন… যদি তুই… যদি তোর হাত…”
প্রথমবার শুনে সায়মনের বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠেছিল। তারপর থেকে প্রতি রাত সে দেয়ালে কান পেতে শোনে। নূপুর জানে না যে ছেলেটা সব শুনছে।
আজ শুক্রবার। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা। সায়মন ইন্টার্নশিপ থেকে ফিরে সিঁড়ি দিয়ে উঠছে। হঠাৎ উপরের তলার দরজা খুলে নূপুর বেরিয়ে এল। হাতে একটা প্লেট। গায়ে পাতলা সাদা নাইটি। আলোতে তার শরীরের আদল স্পষ্ট—ভারী দুধ দুটো নাইটির কাপড় টানটান করে রেখেছে, কোমর সরু, রান মোটা। চুল খোলা, ঘাড় পর্যন্ত নামানো।
“সায়মন, এত রাত করে ফিরলি? খাবি?”
সায়মন সিঁড়িতে থেমে গেল। চোখ নাইটির ফাঁকে আটকে গেল। নূপুরের দুধের ফাঁকটা হালকা দেখা যাচ্ছে।
“কাকিমা… আপনি রান্না করেছেন?”
নূপুর হাসল। হাসিতে চোখ কুঁচকে গেল।
“তোর জন্যেই। নিচে একা একা কি খাবি? চল উপরে।”
সায়মন মনকে শক্ত করে উপরের তলায় উঠল। নূপুরের ঘরটা ছোট। একটা বড় বিছানা, একটা আলমারি, জানালার পাশে একটা চেয়ার। ঘরে হালকা আতরের গন্ধ। নূপুর প্লেটটা টেবিলে রেখে বলল,
“বস। আমি আর একটু এনে দিচ্ছি।”
সায়মন চেয়ারে বসল। নূপুর রান্নাঘর থেকে ফিরে এসে তার পাশেই বসল। নাইটির ভাঁজ সরে গিয়ে রানের উপরের অংশ খুলে গেল। সায়মনের নজর সেদিকেই। নূপুর লক্ষ্য করল। কিন্তু সরিয়ে নিল না।
“কী দেখছিস?”
সায়মনের গলা শুকিয়ে গেল।
“কিছু না কাকিমা…”
নূপুর হাসল। হাত বাড়িয়ে সায়মনের মাথায় হাত বুলিয়ে দিল।
“তুই এখন বড় হয়ে গেছিস। আর আগের মতো বাচ্চা না। আমিও… একা। রাতগুলো কত লম্বা হয় জানিস?”
সায়মনের হৃদপিণ্ড দুরুদুরু করছে। নূপুরের হাত তার গালে নেমে এল। আঙুল দিয়ে ঠোঁট ছুঁয়ে দিল।
“তুই শুনিস নি রাতের বেলা? দেয়ালের ওপার থেকে?”
সায়মন চোখ তুলে তাকাল। নূপুরের চোখে আগুন।
“শুনি… প্রতি রাত শুনি কাকিমা। আপনি আমার নাম ধরে… ওসব করেন।”
নূপুরের মুখ লাল হয়ে গেল। কিন্তু সে সরে গেল না। বরং আরও কাছে সরে এল। নাইটির বোতাম একটা খুলে গেল। দুধের উপরের অংশ স্পষ্ট।
“তাহলে আজ আর দেয়ালের ওপার থেকে শুনবি না। আজ সামনে থেকে দেখবি।”
সায়মন উঠে দাঁড়াল। নূপুরও উঠল। দুজনের বুক মিলল। নূপুরের দুধ সায়মনের বুকে চেপে গেল। সায়মন আর ধৈর্য রাখতে পারল না। দুই হাত দিয়ে নূপুরের কোমর চেপে ধরে ঠোঁটে চুমু খেল। প্রথমে আস্তে, তারপর ক্ষুধার্তের মতো। জিভ ঢুকিয়ে দিল। নূপুর প্রতিরোধ করল না। বরং মুখ হাঁ করে জিভ জড়িয়ে দিল।
চুমু ভাঙতে নূপুর হাঁপাতে হাঁপাতে বলল,
“আরও কর… জোরে কর… আমার ঠোঁট কামড়ে ধর…”
সায়মন নাইটির বাকি বোতাম খুলে ফেলল। নাইটি মেঝেতে পড়ল। নূপুরের শরীর উন্মুক্ত—ভারী দুধ, বাদামি চুচকো, পেটের ভাঁজ, আর নিচে ঘন কালো লোমের ভোদা। সায়মন হাঁটু গেড়ে বসে একটা দুধ মুখে নিল। চুষতে লাগল। জিভ দিয়ে চুচকো ঘোরাতে ঘোরাতে দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিল।
“আহ্… সায়মন… এভাবেই… দুধ চুষ… আমার বাচ্চা হয়ে চুষ…”
সায়মন অন্য দুধে মুখ দিল। এক হাত নিচে নামিয়ে ভোদায় আঙুল বুলিয়ে দিল। ভিতরটা ইতিমধ্যে ভেজা। আঙুল ঢুকিয়ে দিলে নূপুরের কোমর কেঁপে উঠল।
“কত ভেজা কাকিমা… রাতের পর রাত নিজের আঙুল দিয়ে চোদেন, তাই তো?”
নূপুর মাথা পেছনে ফেলে গোঙাল,
“হ্যাঁ… তোর নাম ধরে… তোর ধোন কল্পনা করে… আজ সত্যি করে দেখা… দেখি তোর বাড়া কেমন…”
সায়মন উঠে প্যান্ট খুলল। ধোন বেরিয়ে পড়ল—মোটা, লম্বা, রগ ফোলা, ডগা চকচকে। নূপুর চোখ বড় করে তাকিয়ে হাত বাড়িয়ে ধরল। মুঠোয় নিয়ে উপরে নিচে নামাল।
“এত মোটা… কাকার চেয়েও বড়… মুখে দিবি?”
সায়মন মাথা নেড়ে বলল। নূপুর হাঁটু গেড়ে বসে ডগায় জিভ লাগাল। চেটে চেটে পুরো ধোন ভিজিয়ে নিল। তারপর মুখ হাঁ করে ভিতরে নিল। গলা পর্যন্ত নামাল। চোখ দিয়ে পানি বেরোল, কিন্তু থামল না। উপরে নিচে নামতে লাগল। থুতু গড়িয়ে পড়ছে তার দুধে।
সায়মন চুল মুঠোয় নিয়ে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল।
“চুষ কাকিমা… পুরো গলায় নাও… তোর মুখ দিয়ে চোদছি… নোংরা কাকিমা…”
নূপুর গলা দিয়ে গড়গড় শব্দ করছে। দুই হাত দিয়ে সায়মনের পাছা চেপে আরও গভীরে নিচ্ছে। সায়মন আর সহ্য করতে পারল না। ধোন বের করে এনে নূপুরের মুখে, দুধে কাম ছাড়ল। গরম তরল গড়িয়ে পড়ছে। নূপুর জিভ বের করে সব চেটে খেল।
“আরও চাই… ভোদায় চাই সায়মন…”
সায়মন তাকে বিছানায় শুইয়ে দুই পা কাঁধে তুলল। ধোন ভোদার মুখে লাগিয়ে এক ধাক্কায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিল। নূপুর চিৎকার করে উঠল—
“আআআখ্… ফাটছে… আস্তে… না… জোরেই কর… ভোদা ফাটিয়ে দে!”
সায়মন জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। বিছানা কেঁপে উঠছে। নূপুরের দুধ দুটো উপরে নিচে লাফাচ্ছে। সায়মন দুধ চেপে ধরে আরও জোরে চোদছে।
“কাকিমার ভোদা কেমন লাগছে? ছেলের ধোন ভালো লাগছে?”
“ভালো… খুব ভালো… আরও জোরে… আমাকে তোর মাগী বানিয়ে দে… চোদ… মেরে ফেল…”
হঠাৎ নিচের তলা থেকে শব্দ এল। কেউ যেন দরজায় করাঘাত করছে। সায়মন থেমে গেল। নূপুরের চোখ বড় হয়ে গেল।
“কে… কে এসেছে এত রাতে?”
সায়মন ধোন বের না করে আরও জোরে ধাক্কা দিল। নূপুরের মুখ চেপে ধরে বলল,
“চোপ কর। এখন কাকিমাকে চোদতে হবে। যাক কেউ আসুক।”
কিন্তু করাঘাত জোরালো হচ্ছে। তারপর একটা চেনা গলার স্বর—
“নূপুর? তুমি জাগছো? আমি… আমি ফিরে এসেছি।”
নূপুরের শরীর শক্ত হয়ে গেল। সায়মনের ধোন এখনো তার ভোদার ভিতরে। দুজনে একে অপরের চোখের দিকে তাকিয়ে আছে। দরজার ওপার থেকে কাকার গলার স্বর ভেসে আসছে—
“পাঁচ বছর পর ফিরলাম… দরজা খোলো।”
সায়মনের চোখে আগুন জ্বলল। সে নূপুরের কানে কানে বলল,
“এখনও বেরোব না। কাকার সামনেই শেষ করব তোকে।”
নূপুর কাঁপতে কাঁপতে মাথা নড়াল। সায়মন আবার ধাক্কা দিতে শুরু করল—আরও জোরে, আরও গভীরে। নূপুরের চাপা গোঙানি দরজার ওপার পর্যন্ত যাচ্ছে।
কাকা বাইরে দাঁড়িয়ে শুনছে।
আর ভিতরে… পাশের ঘরের কাকিমা ছেলের ধোন নিয়ে কাঁপছে।
(প্রথম পর্ব সমাপ্ত)
---
**পাশের ঘরে কাকিমা**
শেষ পর্ব
দরজার ওপার থেকে কাকার গলার স্বর আরও পরিষ্কার শোনা যাচ্ছে।
“নূপুর! আমি জানি তুমি জাগছো। পাঁচ বছর পর ফিরেছি… দরজা খোলো।”
সায়মনের ধোন এখনো নূপুরের ভোদার গভীরে পুরোপুরি ঢোকা। দুজনের শরীর ঘামে ভেজা। নূপুরের চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে, কিন্তু তার ভোদা আরও শক্ত হয়ে সায়মনের বাড়া কামড়ে ধরেছে। সায়মন নূপুরের দুই হাত মাথার উপরে চেপে ধরে কানে কানে বলল,
“চোপ করে শুয়ে থাক কাকিমা। ও বাইরে দাঁড়িয়ে শুনুক কেমন করে তার বউকে চোদি।”
নূপুর মাথা নেড়ে সায়মনের ঠোঁটে চুমু খেল। চাপা গলায় বলল,
“চোদ… আরও জোরে চোদ… ওর সামনেই আমাকে তোর মাগী বানিয়ে দে… আমি আর ওর বউ নই… আমি তোর নোংরা কাকিমা…”
সায়মন জোরে ধাক্কা দিতে শুরু করল। বিছানার ক্রিক শব্দ দরজার ওপার পর্যন্ত যাচ্ছে। নূপুরের দুধ দুটো সায়মনের বুকে চেপে যাচ্ছে। প্রতিটা ধাক্কায় নূপুরের মুখ থেকে চাপা গোঙানি বেরোচ্ছে—
“আহ্… আহ্… সায়মন… ভোদা ফাটছে… আরও… আরও ভিতরে…”
বাইরে কাকা চুপ করে শুনছে। হঠাৎ তার গলায় রাগের স্বর—
“নূপুর! ভিতরে কে আছে? দরজা ভাঙব এখনই!”
সায়মন হাসল। সে ধোন বের না করে নূপুরকে উল্টে হাঁটু গেড়ে বসাল। পেছন থেকে এক ধাক্কায় আবার পুরো বাড়া ঢুকিয়ে দিল। এক হাত দিয়ে নূপুরের চুল টানল, অন্য হাত দিয়ে গলা চেপে ধরল।
“চিৎকার কর কাকিমা। ওকে শোনাতে হবে তুই কত বড় রণ্ডি।”
নূপুর আর চাপা গলায় রইল না। সে চিৎকার করে উঠল—
“চোদ আমাকে… সায়মন… তোর ধোন দিয়ে আমার ভোদা নষ্ট করে দে… আমি তোর মাগী… তোর কাকিমা রণ্ডি… বাবার সামনে চোদ… আআআখ্!”
দরজায় জোরালো লাথি পড়ল। কাঠের দরজা কেঁপে উঠল। সায়মন থামল না। আরও জোরে, আরও গভীরে ধাক্কা দিতে লাগল। নূপুরের ভোদা থেকে পচ্ পচ্ শব্দ হচ্ছে। ঘাম আর কামের গন্ধে ঘর ভরে গেছে।
হঠাৎ দরজার চাবির শব্দ। নূপুরের পুরনো চাবি দিয়েই কাকা দরজা খুলে ফেলল। আলো জ্বলে উঠল।
কাকা—রফিক—দরজায় দাঁড়িয়ে। বয়স পঞ্চাশের কাছাকাশি, শরীর শক্ত, চোখে আগুন। সে দেখল—তার বউ হাঁটু গেড়ে, পেছন থেকে ভাইপো ধোন ঢুকিয়ে চোদছে। নূপুরের মুখ ঘামে ভেজা, দুধ দুটো ঝুলছে, আর ভোদা দিয়ে সায়মনের মোটা বাড়া গিলছে।
রফিকের গলা কেঁপে উঠল।
“নূপুর… তুই… তোর ভাইপোর ধোন নিয়েছিস?”
নূপুর পেছন ফিরে তাকাল। চোখে কোনো লজ্জা নেই। শুধু তীব্র ক্ষুধা। সে সায়মনের ধোন থেকে সরে না গিয়ে বলল,
“হ্যাঁ… নিয়েছি। পাঁচ বছর তুই আমাকে ফেলে রেখেছিস। একা রাত কাটাতে হয়েছে। এখন এই ছেলে আমার ভোদা ভরে দিচ্ছে। দেখ… দেখ কেমন করে চোদে তোর বউকে!”
সায়মন হাসল। সে নূপুরের কোমর চেপে ধরে আরও জোরে ধাক্কা দিল।
“দেখুন কাকা… কাকিমার ভোদা কেমন করে আমার ধোন গিলছে। আপনার বউ এখন আমার নোংরা মাগী। বল কাকিমা—তুই কি?”
নূপুর চিৎকার করে বলল,
“আমি তোর মাগী… তোর রণ্ডি কাকিমা… ছেলের ধোন ছাড়া বাঁচি না… চোদ… আরও জোরে চোদ… ওর সামনেই আমাকে ভেঙে দে!”
রফিক এগিয়ে এল। তার নিজের ধোনও শক্ত হয়ে উঠেছে। সে প্যান্টের উপর থেকে চেপে ধরল।
“তাহলে দুজনে মিলেই নোংরা করব এই মাগীকে।”
সায়মন ধোন বের করে নূপুরকে শুইয়ে দিল। রফিক বিছানায় উঠে এসে নূপুরের মুখের সামনে ধোন বের করল। নূপুর কোনো দ্বিধা না করে মুখ হাঁ করে কাকার ধোন গলায় নিল। সায়মন আবার ভোদায় ঢুকে পড়ল।
দুই ধোন—একটা মুখে, একটা ভোদায়। নূপুরের শরীর দুইদিক থেকে ধাক্কা খাচ্ছে। সে গলা দিয়ে গড়গড় শব্দ করছে, চোখ দিয়ে পানি ঝরছে, কিন্তু হাত দিয়ে দুজনের পাছা চেপে আরও গভীরে নিচ্ছে।
সায়মন গলায় হাত চেপে ধরে বলল,
“চুষ শালীর… গলায় নিয়ে চোদ… তোর মুখটা ধোন চোষার জন্যই বানানো… কাকার সামনে রণ্ডিগিরি দেখাচ্ছিস… আরও নাও!”
রফিক চুল ধরে জোরে ধাক্কা দিচ্ছে।
“পাঁচ বছর পর ফিরে এই দেখলাম… ভাইপোর ধোন চোষা বউ… নোংরা মাগী… আজ থেকে দুজনেরই চোদার পাত্র হবি।”
নূপুর মুখ থেকে ধোন বের করে হাঁপাতে হাঁপাতে চিৎকার করল,
“হ্যাঁ… দুজনেরই মাগী… দুজনেরই রণ্ডি… চোদো আমাকে… ভোদায় দাও, গুদে দাও, মুখে দাও… আমাকে নষ্ট করে দাও!”
সায়মন নূপুরকে উল্টে রফিকের উপর বসাল। নূপুর নিজে থেকেই কাকার ধোন ভোদায় ঢুকিয়ে নিল। তারপর সায়মন পেছন থেকে এসে গুদের ফুটোয় থুতু লাগিয়ে আস্তে আস্তে ধোন ঢোকাতে লাগল।
নূপুরের শরীর তীব্রভাবে কেঁপে উঠল।
“আআআহ্… দুই ফুটোই ভর্তি… ফাটছে… চোদো… আরও জোরে… আমাকে মেরে ফেলো… তোদের শালীকে ভেঙে দাও!”
দুজনে একসাথে ধাক্কা দিতে লাগল। নূপুরের দুধ দুটো রফিকের মুখে লাগছে। রফিক দুধ চুষছে, দাঁত দিয়ে কামড়াচ্ছে। সায়মন চুল টানছে আর গলা চাপছে। ঘরের ভিতর শুধু শব্দ—পচ্ পচ্, মাংসের ধাক্কা, আর নূপুরের চিৎকার।
“আমি আসছি… আবার আসছি… নোংরা মাগীর মতো আসছি… তোদের কাম নিয়ে আসছি… আআআখ্!”
নূপুরের শরীর তীব্রভাবে কেঁপে উঠে ঢলে পড়ল। তার ভোদা আর গুদ দুটোই শক্ত হয়ে দুই ধোন কামড়ে ধরল। সায়মন আর রফিক একসাথে শেষ ধাক্কা দিয়ে গরম কাম ঢেলে দিল দুই ফুটোয়।
নূপুর হাঁপাতে হাঁপাতে বিছানায় লুটিয়ে পড়ল। দুই ধোন বেরিয়ে আসতে তার ভোদা আর গুদ দিয়ে কাম গড়িয়ে পড়ছে।
রফিক পাশ ফিরে শুয়ে নূপুরের দুধে হাত বুলিয়ে বলল,
“এবার আর কেউ আমাদের আলাদা করতে পারবে না। তুই আমাদের দুজনেরই। যখন খুশি চোদব।”
সায়মন নূপুরের কপালে চুমু খেয়ে নরম গলায় বলল,
“কাকিমা… তুমি এখন শুধু আমার না। কাকারও। কিন্তু রাতে যখন চাইব—তখনই নেব। তুমি আমাদের নোংরা কাকিমা। রাজি তো?”
নূপুর চোখ বুজে হাসল। মুখ দিয়ে এখনো কাম গড়াচ্ছে। সে দুজনের হাত ধরে বলল,
“রাজি… তোদের মাগী… তোদের ভোদাওয়ালি কাকিমা… যখন খুশি চোদো… গলায় দাও, ভোদায় দাও, গুদে দাও… আমি তোদের জন্যই বেঁচে আছি… চিরকালের রণ্ডি কাকিমা…”
ভোরের আলো জানালা দিয়ে ঢুকছে। তিনজন একসাথে শুয়ে। নূপুরের মাথা সায়মনের বুকে, এক হাত রফিকের বুকে। ঘরের ভিতর আর কোনো লজ্জা নেই। শুধু তীব্র সন্তুষ্টি আর নতুন সম্পর্কের নীরবতা।
পাশের ঘরের কাকিমা এখন আর একা নয়।
গল্পের ইতি।