আম্মু
**আম্মু**
প্রথম পর্ব
রাত প্রায় একটার দিকে ঢাকার মিরপুরের সেই পুরনো ফ্ল্যাটের দরজাটা আস্তে করে খুলল। আকাশ নামের ছেলেটা পায়ের শব্দ যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রেখে ভিতরে ঢুকল। বিশ বছরের এই ছেলেটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে সে আর তার আম্মু—রিমঝিম—এই এক বেডরুমের ফ্ল্যাটেই থাকে। রিমঝিম বয়স আটচল্লিশ, কিন্তু দেখতে অনেক কম। চুল এখনো কালো, শরীরটা স্বাস্থ্যবতী, দুধ দুটো এখনো শক্ত আর ভারী। সে একটা প্রাইভেট স্কুলে শিক্ষিকা।
আকাশ দরজা বন্ধ করে হলওয়েতে দাঁড়াল। ঘরের ভিতর থেকে হালকা আলো আসছে। আম্মুর ঘরের দরজা আধখোলা। সে আস্তে করে এগিয়ে গেল। হঠাৎ শব্দ শুনতে পেল—চাপা গোঙানি।
সে দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি মারল।
রিমঝিম বিছানায় শুয়ে। তার লম্বা নাইটি উপরে উঠে আছে কোমর পর্যন্ত। এক হাত দিয়ে সে নিজের ভোদা চেপে ধরে আছে, আঙুল দুটো ভিতরে ঢুকিয়ে ধীরে ধীরে নাড়াচ্ছে। অন্য হাত দিয়ে একটা দুধ চেপে ধরে আছে। চোখ বন্ধ, ঠোঁট কামড়ে আছে, আর গোঙাচ্ছে—
“আকাশ... আমার বাচ্চা... তোর ধোনটা যদি...”
আকাশের শরীর কেঁপে উঠল। রক্ত মাথায় উঠে গেল। সে এতদিন জানত না। আম্মু তাকে নিয়ে এমন ভাবে চিন্তা করে?
সে দরজাটা আস্তে করে ঠেলল। রিমঝিম চোখ খুলে তাকাল। মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ। তারপর তাড়াতাড়ি নাইটি নামিয়ে ঢেকে ফেলল, কিন্তু আঙুলগুলো এখনো ভেজা।
“আকাশ? তুই কখন এলি? আমি... আমি ঘুমাচ্ছিলাম...”
আকাশ এগিয়ে গেল বিছানার কাছে। তার কণ্ঠস্বর শুকনো।
“আম্মু... তুমি আমার নাম ধরে... ওসব বলছিলে।”
রিমঝিমের মুখ লাল হয়ে গেল। সে উঠে বসল। নাইটির বোতাম খোলা, দুধের ফাঁকটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
“তুই শুনে ফেললি? আকাশ... মাফ করে দে... আমি... আমি আর পারি না। তোর বাবা চলে যাওয়ার পর থেকে... রাতগুলো এত লম্বা হয়ে যায়। আর তুই... তুই এত বড় হয়ে গেছিস। প্রতিদিন তোর শরীর দেখি... মনে হয়...”
আকাশ হাঁটু গেড়ে বসল মায়ের সামনে। তার হাত উঠে গেল রিমঝিমের রানের ওপর।
“আম্মু... তুমি চাও? আমাকে?”
রিমঝিমের চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ল। সে মাথা নেড়ে বলল,
“চাই... খুব চাই। কিন্তু তুই আমার ছেলে... এটা পাপ...”
আকাশ উঠে এসে মায়ের ঠোঁটে চুমু খেল। প্রথমে আস্তে, তারপর জোরে। রিমঝিম প্রতিরোধ করল না। তার হাত উঠে গেল ছেলের ঘাড়ে। চুমু গভীর হয়ে গেল। জিভের লড়াই। আকাশের হাত নাইটির ভিতরে ঢুকে গিয়ে দুধ চেপে ধরল।
“আহ্... আকাশ... জোরে চেপ...”
আকাশ নাইটিটা উপরে তুলে ফেলল। রিমঝিমের শরীর উন্মুক্ত। দুধ দুটো ভারী, বড় বড় বাদামি চুচকো। আকাশ মুখ গিয়ে লাগাল। একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। জিভ দিয়ে চুচকো ঘোরাতে লাগল।
রিমঝিম মাথা পেছনে ফেলে গোঙাল,
“হ্যাঁ... এভাবেই... তোর বাবাও এভাবে চুষত... কিন্তু তোর মুখটা আরও গরম...”
আকাশ অন্য দুধে মুখ দিল। এক হাত দিয়ে নিচের দিকে নামল। ভোদার ওপর হাত বুলিয়ে দিল। আঙুল ঢুকিয়ে দিল। ভিতরটা নরম, গরম, আর অনেক ভেজা।
“আম্মু... তোমার ভোদা এত ভেজা কেন?”
“তোকে নিয়ে চিন্তা করে করে... প্রতি রাত...”
আকাশ আঙুল বাড়িয়ে দিল। দুটো আঙুল ঢুকিয়ে ধাক্কা দিতে লাগল। রিমঝিমের কোমর কেঁপে উঠল। সে ছেলের চুল আঁকড়ে ধরল।
“আরও ভিতরে... আকাশ... আমার ভোদা ফাটিয়ে দে...”
আকাশ মুখ নামিয়ে নিচে গেল। জিভ বের করে ভোদার চিরে লাগাল। উপর থেকে নিচ পর্যন্ত চেটে গেল। ক্লিটরিসে জিভ ঘষতে লাগল। রিমঝিম দুই পা ছড়িয়ে দিল।
“উম্মম্ম... চাট... আমার ভোদা চাট... নোংরা করে দে...”
আকাশ জিভ ঢুকিয়ে দিল ভিতরে। চুষতে লাগল। শব্দ হচ্ছিল—চট্ চট্। রিমঝিমের শরীর কেঁপে উঠছে। তার হাত নিজের দুধ চেপে ধরে আছে।
“আমি আসতে যাচ্ছি... আকাশ... থামিস না...”
আকাশ আরও জোরে চাটল। দুই আঙুল দিয়ে ভিতরে ধাক্কা দিতে দিতে ক্লিটরিস চুষল। রিমঝিমের শরীর তীব্রভাবে কেঁপে উঠল। সে চিৎকার করে উঠল—
“আআআখ্... আসছি... তোর মুখে আসছি...”
গরম রস গড়িয়ে পড়ল আকাশের মুখে। সে সব চেটে খেল। তারপর উঠে এসে মায়ের মুখের সামনে দাঁড়াল। প্যান্ট খুলে ফেলল। ধোনটা বেরিয়ে পড়ল—মোটা, লম্বা, রগগুলো ফুলে আছে, ডগা থেকে ইতিমধ্যেই প্রি-কাম বের হচ্ছে।
রিমঝিম চোখ বড় করে তাকাল।
“এত বড়... তোর বাবার চেয়েও মোটা...”
সে হাত বাড়িয়ে ধরল। মুঠোয় নিয়ে উপরে নিচে নামাল। তারপর মুখ এগিয়ে ডগায় চুমু খেল। জিভ বের করে চেটে গেল।
“চুষ আম্মু... পুরোটা মুখে নাও...”
রিমঝিম মুখ হাঁ করল। ধোনটা ভিতরে ঢুকিয়ে দিল। গলা পর্যন্ত নামাল। চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে এল, কিন্তু সে থামল না। উপরে নিচে নামতে লাগল। শব্দ হচ্ছে—গড় গড়। থুতু গড়িয়ে পড়ছে তার বুকে।
আকাশ মায়ের চুল ধরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল।
“এভাবেই... গলায় নিয়ে নাও... আম্মুর মুখ দিয়ে চোদছি...”
রিমঝিম গলা দিয়ে শব্দ করল। সে দুই হাত দিয়ে ছেলের পাছা চেপে ধরে আরও গভীরে নিল। আকাশ আর সহ্য করতে পারল না। সে ধোন বের করে এনে মায়ের মুখে কাম ছেড়ে দিল। গরম তরল মুখে, গলায়, বুকে লেগে গেল।
রিমঝিম সব গিলে ফেলল। তারপর জিভ বের করে ঠোঁট চেটে বলল,
“আরও চাই... ভোদায় চাই...”
আকাশ তাকে শুইয়ে দিল। দুই পা কাঁধে তুলে ধরল। ধোনটা ভোদার মুখে লাগাল। এক ধাক্কায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিল।
“আহ্হ্হ্... ফাটছে... আকাশ... আস্তে...”
কিন্তু আকাশ আস্তে করল না। জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। বিছানা কেঁপে উঠছে। রিমঝিমের দুধ দুটো উপরে নিচে লাফাচ্ছে। আকাশ দুধ চেপে ধরে আরও জোরে চোদতে লাগল।
“আম্মুর ভোদা কেমন লাগছে? ছেলের ধোন ভালো লাগছে?”
“ভালো... খুব ভালো... আরও জোরে... ভোদা ফাটিয়ে দে... তোর বাচ্চা হয়ে যাক আমার পেটে...”
আকাশ পজিশন বদলাল। রিমঝিমকে উল্টে হাঁটু গেড়ে বসাল। পেছন থেকে ধোন ঢুকিয়ে দিল। এক হাত দিয়ে চুল ধরে টানল, অন্য হাত দিয়ে গলা চেপে ধরল।
“শ্বাস নিতে পারছো আম্মু?”
রিমঝিম চাপা গলায় বলল,
“পারছি না... আরও চেপ... চোদ... মেরে ফেল আমাকে...”
আকাশ গলা চেপে ধরে জোরে চোদতে লাগল। প্রতিটা ধাক্কায় রিমঝিমের শরীর সামনে এগোচ্ছে। তার ভোদা থেকে শব্দ হচ্ছে—পচ্ পচ্। ঘামে ভিজে গেছে দুজনের শরীর।
হঠাৎ দরজার দিকে শব্দ হল। কেউ যেন সিঁড়িতে পা রেখেছে। আকাশ থেমে গেল। রিমঝিমের চোখ বড় হয়ে গেল।
“কেউ... কেউ এসেছে?”
আকাশ ধোন বের করে না করে আরও জোরে ধাক্কা দিল।
“যাক যারা আসুক... এখন আম্মুকে চোদতে হবে...”
রিমঝিম চিৎকার চেপে ধরল। কিন্তু ভিতরে তার ভোদা আরও শক্ত হয়ে কামড়ে ধরল ছেলের ধোন। আকাশ গলা চেপে ধরে শেষ ধাক্কাগুলো দিল। গরম কাম ঢেলে দিল মায়ের ভোদার গভীরে।
দুজনে হাঁপাচ্ছে। হঠাৎ সিঁড়ির শব্দ থেমে গেল। কেউ যেন দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।
রিমঝিম কাঁপতে কাঁপতে বলল,
“আকাশ... ওটা... ওটা কি তোর বাবার ছায়া?”
আকাশ মাথা ঘুরিয়ে দরজার দিকে তাকাল। আধো আলোয় কেউ যেন দাঁড়িয়ে। মুখ দেখা যাচ্ছে না। শুধু একটা লম্বা ছায়া।
রিমঝিম ছেলের বুকে মুখ লুকিয়ে বলল,
“আজ রাত থেকে... তোর বাবা ফিরে এসেছে দেখতে...”
আকাশ ধোন এখনো মায়ের ভোদার ভিতরে। সে আস্তে করে বলল,
“তাহলে ওকে দেখিয়ে দিতে হবে... আম্মু এখন আমার।”
ছায়াটা এক পা এগিয়ে এল।
(প্রথম পর্ব সমাপ্ত)
---
**আম্মু**
শেষ পর্ব
আকাশের ধোন এখনো রিমঝিমের ভোদার ভিতরে পুরোপুরি ঢোকা। গরম কাম গড়িয়ে পড়ছে দুজনের রান বেয়ে। ঘরের দরজার সামনে সেই ছায়াটা এক পা এগিয়ে এসেছে। আধো আলোয় মুখ স্পষ্ট না হলেও গলার স্বরটা চেনা—
“রিমঝিম… তুই আমার স্ত্রী হয়ে ছেলের ধোন নিয়েছ?”
রিমঝিমের শরীর কেঁপে উঠল। সে ছেলের বুক থেকে মুখ তুলে চিৎকার করে উঠল,
“তুই… তুই মরে গেছিস! ভূত হয়ে ফিরে এসেছিস আমাকে লজ্জা দিতে?”
আকাশ ধোনটা বের না করে আরও জোরে এক ধাক্কা দিল। রিমঝিমের ভোদা শব্দ করে গিলল। সে মায়ের চুল মুঠোয় নিয়ে টানল আর গলায় হাত চেপে ধরে বলল,
“চোপ কর আম্মু। ও ভূত হোক আর যাই হোক—এখন তোর ভোদা আমার। তুই আমার মাগী, আমার রণ্ডি। বাবার সামনেই চোদব তোকে।”
ছায়াটা আরও কাছে এল। হঠাৎ আলো জ্বলে উঠল। দাঁড়িয়ে আছে আকাশের বাবা—করিম। কিন্তু শরীরটা স্বচ্ছ নয়। রক্তমাংসের মানুষ। চোখে আগুন।
“আমি মরি নাই। অপারেশন ফেল করেছিলাম। হাসপাতাল থেকে পালিয়ে অন্য শহরে ছিলাম। আজ ফিরে দেখি তোর আম্মু ছেলের বাড়া চুষছে।”
রিমঝিম কাঁদতে কাঁদতে চিৎকার করল,
“তুই আমাকে ফেলে রেখে পালিয়েছিস! দশ বছর আমাকে বিধবা বানিয়ে রেখেছিস! এখন এসে নৈতিকতা দেখাচ্ছিস? আকাশের ধোন আমার ভোদায়—দেখ! দেখ কেমন করে চোদে তোর বউকে!”
আকাশ হাসি মুখে মায়ের কোমর চেপে ধরে পেছন থেকে আরও জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। প্রতিটা ধাক্কায় রিমঝিমের দুধ দেওয়ালে ধাক্কা খাচ্ছে।
“দেখ বাবা… আম্মুর ভোদা কেমন করে আমার ধোন গিলছে। তোর বউ এখন আমার নোংরা মাগী। বল আম্মু—তুই কি?”
রিমঝিম জিভ বের করে হাঁপাচ্ছে। চোখ দিয়ে পানি ঝরছে, কিন্তু মুখ দিয়ে বেরোচ্ছে শুধু নোংরা কথা—
“আমি… আমি তোর মাগী… তোর রণ্ডি আম্মু… ছেলের ধোন ছাড়া বাঁচি না… চোদ আমাকে… বাবার সামনে চোদ… আরও জোরে… ভোদা ফাটিয়ে দে তোর শুয়োরের বাচ্চা!”
করিম এগিয়ে এসে বিছানার পাশে দাঁড়াল। তার নিজের ধোনও শক্ত হয়ে উঠেছে।
“তাহলে দুজনে মিলেই নোংরা করব এই মাগীকে।”
আকাশ ধোন বের করে রিমঝিমকে উল্টে শুইয়ে দিল। মায়ের মুখের সামনে নিজের বাড়া ধরে বলল,
“মুখ হাঁ কর আম্মু। বাবার সামনে ছেলের ধোন চুষ। দেখিয়ে দে তুই কত বড় রণ্ডি।”
রিমঝিম মুখ হাঁ করে পুরো ধোন গলায় নিল। চোখ দিয়ে পানি বেরোচ্ছে, থুতু গড়িয়ে পড়ছে দুধের ফাঁকে। করিম হাঁটু গেড়ে বসে মায়ের ভোদায় মুখ লাগাল। জিভ ঢুকিয়ে চাটতে লাগল।
“এই ভোদা আগে আমার ছিল… এখন ছেলের কামে ভরা… নোংরা মাগীর ভোদা…”
রিমঝিম গলা দিয়ে গড়গড় শব্দ করছে। আকাশ চুল ধরে জোরে ধাক্কা দিচ্ছে।
“চুষ শালীর… গলায় নিয়ে চোদ… তোর মুখটা আমার ধোনের জন্যই বানানো… বাবার সামনে রণ্ডিগিরি দেখাচ্ছিস… আরও গভীরে নাও!”
করিম উঠে এসে রিমঝিমের দুই পা ছড়িয়ে ধোন ঢুকিয়ে দিল। একসাথে দুই ধোন—একটা মুখে, একটা ভোদায়। রিমঝিমের শরীর কেঁপে উঠছে। সে দুই হাত দিয়ে দুধ চেপে ধরে চিৎকার করছে—
“আআআখ্… দুইজনের ধোন… আমাকে মেরে ফেলো… চোদো এই নোংরা ভোদা… আমি তোদের মাগী… তোদের শুয়োরের বউ… আরও জোরে… ফাটিয়ে দাও!”
আকাশ ধোন বের করে মায়ের মুখ থেকে সরিয়ে এনে করিমের পাশে হাঁটু গেড়ে বসল। দুজনে মিলে রিমঝিমের ভোদায় একসাথে ঢোকাবার চেষ্টা করল। প্রথমে আকাশের মোটা ধোন, তারপর করিমের। রিমঝিমের ভোদা চিৎকার করে ফাটার উপক্রম।
“না… পারব না… ফেটে যাবে… আহ্হ্হ্… চোদো… দুই শুয়োরের ধোন একসাথে… আমার ভোদা নষ্ট করে দাও!”
দুজনে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। বিছানা ভাঙার উপক্রম। রিমঝিমের দুধ দুটো এলোমেলো লাফাচ্ছে। সে নিজের মুখ দিয়ে গালাগালি করতে করতে আসছে—
“আরও… আরও চোদো… আমি তোদের রণ্ডি আম্মু… ছেলের কাম খাওয়া মাগী… বাবার ধোন চোষা শালী… মেরে ফেলো আমাকে… ভোদায় কাম ভরে দাও… পেটে বাচ্চা হয়ে যাক দুজনের!”
আকাশ হঠাৎ ধোন বের করে মায়ের মুখের ওপর এনে দাঁড়াল। করিমও বের করে এল। দুজনে একসাথে রিমঝিমের মুখে, দুধে, চোখে কাম ছাড়তে লাগল। গরম তরল ঝরছে। রিমঝিম জিভ বের করে সব চেটে খাচ্ছে, গিলে ফেলছে।
“হ্যাঁ… আরও দে… আমার মুখে… দুধে… নোংরা করে দে তোদের মাগীকে… আমি তোদের চোদার পাত্র… চিরকালের রণ্ডি…”
করিম হাঁপাতে হাঁপাতে বলল,
“এবার দুজনে মিলে রাখব তোকে। আর কখনো একা থাকবি না।”
আকাশ মায়ের চুলে হাত বুলিয়ে নরম গলায় বলল,
“আম্মু… তুমি এখন শুধু আমার না। বাবারও। কিন্তু রাতে যখন চাইব—তখনই চোদব। তুমি আমাদের নোংরা আম্মু। রাজি তো?”
রিমঝিম কামে ভেজা মুখ তুলে হাসল। চোখ দিয়ে এখনো পানি ঝরছে, কিন্তু হাসিটা সন্তুষ্ট।
“রাজি… তোদের মাগী… তোদের ভোদাওয়ালি আম্মু… যখন খুশি চোদো… গলায় দাও, ভোদায় দাও, গুদে দাও… আমি তোদের জন্যই বেঁচে আছি…”
করিম বিছানায় শুয়ে পড়ল। আকাশ মাকে তুলে এনে বাবার ধোনের ওপর বসাল। রিমঝিম নিজে থেকেই ধোন ঢুকিয়ে নিল। তারপর আকাশ পেছন থেকে এসে গুদে ধোন ঢোকাল।
ডাবল পেনিট্রেশন। রিমঝিমের শরীর দুই ধোনের মাঝে কেঁপে উঠছে। সে দুই হাত দিয়ে দুধ চেপে ধরে চিৎকার করছে—
“আআআহ্… দুই ফুটোই ভর্তি… চোদো… আরও জোরে… আমাকে ভেঙে দাও… তোদের শালীকে মেরে ফেলো… আমি আসছি… আবার আসছি… নোংরা মাগীর মতো আসছি!”
দুজনে একসাথে শেষ ধাক্কা দিল। গরম কাম একসাথে ঢেলে দিল দুই ফুটোয়। রিমঝিমের শরীর তীব্রভাবে কেঁপে উঠে ঢলে পড়ল।
রাত শেষ। ভোরের আলো ঘরে ঢুকছে। তিনজন একসাথে শুয়ে। রিমঝিমের মাথা আকাশের বুকে, এক হাত করিমের বুকে।
আকাশ মায়ের কপালে চুমু খেয়ে বলল,
“এবার আর কেউ আমাদের আলাদা করতে পারবে না। তুমি আমাদের আম্মু। আমাদের চোদার আম্মু।”
রিমঝিম চোখ বুজে মৃদু হাসল।
“হ্যাঁ… তোদের নোংরা, গালাগালি খাওয়া, ধোনের ক্ষুধার্ত আম্মু… চিরকাল।”
ঘরের ভিতর আর কোনো ছায়া নেই। শুধু তিনজনের শ্বাস আর সন্তুষ্টির নীরবতা।
গল্পের ইতি।